,

বেতাগীতে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৭৪ শতাংশ, সেরা বেতাগী সরকারি কলেজ

মো: শামীম সিকদার ♦
বরগুনার বেতাগীতে এইচএসসি, এইচএসসি (বিএম) ও আলীম পরীক্ষার সম্মিলিত পাসের হার ৭৪ শতাংশ। উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে এইচএসসিতে পাসের হার ৭১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫ জন, এইচএসসি (বিএম) পরীক্ষায় পাসের হার ৮৭ শতাংশ এবং আলীম পরীক্ষায় পাসের হার ৯১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। জিপিএ-৫ এর ভিত্তিতে উপজেলায় প্রথম হয়েছে বেতাগী সরকারি কলেজ। এ কলেজে ২৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হারের ভিত্তিতে উপজেলায় প্রথম হয়েছে রানিপুর সিনিয়র মাদরাসা। এ মাদরাসায় শত ভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। সবচেয়ে কম পাস করেছে ডা. আছমত আলী কলেজে। এ কলেজ থেকে ৩৮ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাত্র ৮ জন পাস করেছে। পাসের হার ২১ শতাংশ।
উপজেলায় মোট ১৮ টি প্রতিষ্ঠানে মোট ১ হাজার ৫ শত ৫৫ জন পরীক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ১ শত ৫৭ জন। সম্মিলিত পাসের হার ৭৪ শতাংশ। এইচএসসি পরীক্ষায় ৭টি কলেজ থেকে ১ হাজার ২ শত ৭৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯ শত ৩ জন। পাসের হার ৭১ শতাংশ। এইসএসসি (বিএম) পরীক্ষায় ২ কলেজ থেকে ৬৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬০জন। পাসের হার ৮৭ শতাংশ। আলীম পরীক্ষায় ৮টি মাদরাসা থেকে ২ শত ১৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ শত ৯৪ জন। পাসের হার ৯১ শতাংশ।
এইচএসসি পরীক্ষায় বিবিচিনি স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৮৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫০জন। পাসের হার ৫৭ শতাংশ। বেতাগী সরকারি কলেজ থেকে ৬ শত ১৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ শত জন। পাসের হার ৮১ শতাংশ। এ কলেজে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৩ জন শিক্ষার্থী। বেতাগী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৪৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৭জন। পাসের হার ৭৯ শতাংশ। ডা. আছমত আলী কলেজ থেকে ৩৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৮ জন। পাসের হার ২১ শতাংশ। কাউনিয়া কলেজ থেকে ১ শত ৩১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৮৪জন। পাসের হার ৬৪ শতাংশ। এ কলেজ থেকে ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে। ওহিদুর রহমান শাহীন মহিলা কলেজ থেকে ১৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ জন। পাসের হার ৭৮ শতাংশ। চান্দখালী মোশাররফ হোসেন কলেজ থেকে ৩ শত ২৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ২ শত ৫ জন। পাসের হার ৬২ শতাংশ। কদবানু মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৮ জন। পাসের হার ৭২ শতাংশ।
এইসএসসি (বিএম) পরীক্ষায় বেতাগী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ থেকে ৪৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৭ জন। পাসের হার ৮৬ শতাংশ এবং বেতাগী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ বিএম শাখা থেকে ২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৩ জন। পাসের হার ৮৮ শতাংশ।
আলীম পরীক্ষায় ফুলতলা মোহাম্মাদীয় সিনিয়র মাদরাসা থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৩ জন। পাসের হার ৮৯ শতাংশ। রানীপুর সিনিয়র মাদরাসা থেকে ৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ জন। পাসের হার শতভাগ। রহমতপুর সিনিয়র মাদরাসা থেকে ৩১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩০ জন। পাসের হার ৯৭ শতাংশ। এ মাদরাসা থেকে ২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে। ছালেহিয়া সিনিয়র মাদরাসা থেকে ৪৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪০ জন। পাসের হার ৯১ শতাংশ। দারুল ইসলাম সিনিয়র মাদরাসা থেকে ৩১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩০ জন। পাসের হার ৯৭ শতাংশ। এ মাদরাসা থেকে ২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে। করুনা হাচানিয়া সিনিয়র মাদরাসা থেকে ৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ জন। পাসের হার ৮৩ শতাংশ। করুনা মোকামিয়া আলিয়া মাদরাসা থেকে ৪৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৪ জন। পাসের হার ৯০ শতাংশ। ছোপখালী ফাজিল মাদরাসা থেকে ১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৭ জন। পাসের হার ৯৪ শতাংশ।

Print Friendly

     এই ক্যাটাগরীর আরো খবর