,

বেতাগীতে একই গ্রামে ১৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত, ১ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক ♦
বরগুনার বেতাগী উপজেলার জোয়ার করুনা গ্রামে ১৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে এবং বুধবার বিশ্বেরশ্বর বেপারী (৮৫) একজন ডেঙ্গু রোগী ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মারা যাওয়ায় উক্ত গ্রামের এডিস মশা নিধনে বেতাগী পৌরসভার ফগার মেশিন নিয়ে বৃহস্পতিবার সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন বেতাগী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: মাকসুদুর রহমান ফোরকান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাজিব আহসান ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো: আমিরুল ইসলাম পিন্টু। এ সময়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মাহবুব আলম সুজন ও ইউপি সদস্য মো: ফেরদৌস উপস্থিত ছিলেন। পরে মেশিন দিয়ে উক্ত গ্রামে ঔষুধ ছিটানো হয়। এডিস মশা জন্ম হতে পারে এমন সব জোপ-জঙ্গল, নর্দমা ও ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
জানাগেছে, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে সুসান্ত ঘরামীর ছেলে নিলয় (৮), খোকন ঘরামীর ছেলে হৃতম (৭), মন্দিন্দ্র ঘরামীর স্ত্রী শিখা (৫০), বিধান বেপারীর স্ত্রী হাসি (৩৪), শৈলেন হাওলাদারের ছেলে সাগর হাওলাদার (১০), পঞ্চানন (১৬) ও স্ত্রী নিপু রানী (৪৪), বাসুদেব ঢাকীর মেয়ে বর্না রানী (১৭), স্ত্রী সুগন্ধ্যা রানী (৫০), উত্তম ঘরামীর মেয়ে মনিষা (৭), স্ত্রী বিষ্ণু রানী (২৮), সঞ্জয় বড়ালের ছেলে সবুজ বড়াল (১৯), বিমল চন্দ্র ঘরামীর স্ত্রী মঞ্জু রানী (৫৮), কালী কান্ত ঢাকীর ছেলে সমীর ঢাকী (৫০), বিশ্বেশ্বর বেপারীর ছেলে বীরেন বেপারী (৪৯) ও সারদা কান্ত বেপারীর ছেলে অবিনাশ বেপারী (৬০) আগষ্ট মাসের মাঝমাঝি সময়ে থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয় বলে ওইসব পরিবার দাবি করেছে।
আক্রান্তদের মধ্যে বর্তমানে ২ জন ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে, ১ জন বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ১ জন পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে এবং অন্য ১৩ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ীতে ফিরেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তেন মং জানান, একই গ্রামে এতজন ডেঙ্গুতে আক্রান্তের তথ্য তাদের কাছে রয়েছে তবে বেশীরভাগ রোগী বেতাগীতে চিকিৎসা না নিয়ে বরিশাল চলে গেছে। মৃত বিশ্বেরশ্বর দুই দিন বেতাগীতে চিকিৎসা নিয়েছিল।

Print Friendly

     এই ক্যাটাগরীর আরো খবর