,

বিনামূল্যে মুরগি পেয়ে দারুন খুশি আলেয়া বেগম

মো: শামীম সিকদার ♦
বিনামূল্যে ২০টি উন্নত জাতের মুরগি ৫০ কেজি খাবার এবং মুরগি পালনের জন্য একটি শেড পাওয়ায় দারুন খূশি আলেয়া বেগম। উপকুলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের মাঝে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়। বরগুনার বেতাগীতে শনিবার (৩০ নভেম্বর) ইএনও’র সম্মেলন কক্ষে সকাল সাড়ে ১০ টায় প্রকল্পের উদ্যোগে উপকরণ বিতরণ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্তি সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো: মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় উপ পরিচালক ডা. কানাই লাল স্বর্নকার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: মাকসুদুর রহমান ফোরকান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: রাজীব আহসান, পৌর মেয়র এবিএম গোলাম কবির। বক্তৃতা করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: আবুল কালাম আজাদ, প্রকল্প পরিচালক ডা. নিতাই চন্দ্র দাস, উপ পরিচালক ডা. জিয়াউল হক রাহাত, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো: আমিরুল ইসলাম পিন্টু, বেতাগী প্রেস ক্লাবের সভাপতি (একাংশ) আব্দুস সালাম সিদ্দিকী, বেতাগী প্রেসক্লাব সভাপতি (একাংশ) মো: মিজানুর রহমান মজনু, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তফা আল রাজীব এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শুভংকর দত্ত। এ অনুষ্ঠানে বিবিচিনি ইউনিয়নের দক্ষিণ ফুলতলা গ্রামের আলেয়া বেগম’র মত আরও ৫০জন সুফলভোগীর মাঝে উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে প্রকল্প পরিচালক ডা. নিতাই চন্দ্র কর্মকার এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা পুরণে এবং চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে তিন বছর মেয়াদী একটি এ প্রকল্প শুরু হয়েছে। এ প্রকল্পের ফলে প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিকরণের মাধ্যমে প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ বৃদ্ধি এবং দারিদ্র বিমোচন ত্বরান্বিত করণ। উপকূলীয় চরাঞ্চলের লোকজন বিভিন্ন দুর্যোগের সাথে লড়াই করে বেঁেচ থাকে। এসব দুর্যোগের ফলে উপকূলীয় চরের অধিবাসিদের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়। ফলে তাদের জীবনমান পিছিয়ে যায়। সার্বিকভাবে এসব পিছিয়ে পরা মানুষদের জীবনমান বৃদ্ধি করতেই উপকূলীয় চরাঞ্চলে দরিদ্র পরিবারের পুষ্টি এবং আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নই এ প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় নারীদের আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর করে গড়ে তোলা ও লিঙ্গ বৈষম্য হ্রাস করা এবং মুরগি, হাঁস ও ভেড়ার ক্ষুদ্র খামার স্থাপন করে ডিম ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধি করার মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের ডিম ও মাংসের চাহিদা পুরণে কাজ করবে এ প্রকল্প।

Print Friendly

     এই ক্যাটাগরীর আরো খবর