,

মৎস্য দপ্তরের প্রেস বিফ্রিং II বেতাগীতে চাহিদার চেয়ে ২৬০ টন মাছ বেশি উৎপাদন

নিজস্ব প্রতিবেদক ♣  
বরগুনার বেতাগীতে বাৎসরিক ২ হাজার ৮ শত টন মাছ উৎপাদনের বিপরিতে উৎপাদন হয় ৩ হাজার ৬০ টন। বছরে উদ্বৃত্ত থাকে ২৬০ টন। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে প্রেসবিফ্রিং কালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, এ উপজেলায় ১১ হাজার ৬২৩ টি পুকুর রয়েছে যার আয়তন ৪২৬.০২ হেক্টর। এ পুকুর থেকে মাছ উৎপাদন হয় ৬৫০ টন। বেসরকারী জলমহাল (বিল) ০৭টি যার আয়তন-২৮৪ হেক্টর। মাছ উৎপাদন-১৪২ টন। বেসরকারী প্লাবন ভূমি ১৪টি, আয়তন-৫৭০ হেক্টর। মাছ উৎপাদন হয় ৪২৩ টন। খালের সংখ্যা ৪০টি যার আয়তন ৩ হাজার হেক্টর। মাছ উৎপাদনের পরিমান ২৫৯ টন। নদী খন্ড ১টি যার আয়তন-৪ হাজার ২শত হেক্টর, আনুমানিক মাছ উৎপাদন ১ হাজার ৫৮৫টন।
শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাংবাদিকদের সাথে প্রেসবিফ্রিং এ লিখিত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: কামাল হোসেন। এসময়ে বক্তব্য রাখেন বেতাগী প্রেসক্লাব সভাপতি মো. সাইদুল ইসলাম মন্টু, সাপ্তাহিক বিষখালী পত্রিকার সম্পাদক আব্দুস সালাম সিদ্দিকী, বেতাগী প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি আকন্দ শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. শামীম সিকদার, যুগ্ন সম্পাদক মো. মহসীন খান, দৈনিক গনকন্ঠ প্রতিনিধি মোহাম্মাদ শাহাদাত হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য মো. আবুল বাসার খান, দৈনিক নয়াদিগন্ত প্রতিনিধি মো. কামাল হোসেন খান, দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি মো. শফিকুল ইসলাম ইরান, দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি মো: হৃদয় হোসেন মুন্না, দৈনিক প্রতিদিন সংবাদ পত্রিকার মো. নিজাম উদ্দিন স্বাধীন ও বাংলাদেশ বেতারের প্রতিনিধি আরিফ হোসেন।
এ সময় গণমাধ্যকর্মীদের কাছে উপকূলীয় এ জনপদের মৎস্য ক্ষেত্রের উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও মৎস্য সপ্তাহের গৃহীত কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। বেতাগী উপজেলায় মৎস্য সপ্তাহের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে মৎস্য উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৮৮ টন। আর এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে যে সকল কর্মসূচী নির্ধারন করা হয়েছে তা হল বিল নার্সারী স্থাপন ০১টি, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ৩৩০ কেজি, মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন ১০০টি, প্রদর্শনী মৎস্য খামার ৫টি, পরামর্শ প্রদান ২৬০টি, প্রশিক্ষণ প্রদান ৩৫০ জন, মৎস্যজীবিদের বিকল্প কর্মসংস্থান ৪০টি, বছরব্যাপী বিশেষ সেবা ০৮টি। ইহা ছাড়াও দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলার দেশীয় মাছ রক্ষায় ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহন করা হবে। এছাড়াও আগামী এক সপ্তাহব্যাপী কর্মকান্ডের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক প্রচার ও প্রচারণা, মাছের পোনা আবমুক্তকরণ, মৎস্য সেক্টরে বর্তমান সরকারের অফগ্রগতি ও সাফল্য বিষয়ে নির্মিত প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন, প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্য চাষী/মৎস্যজীবিদের সাথে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মতবিনিময় সভা, উপজেলার গুরুত্বপূর্ন স্থানে মৎস্য চাষীদের মাছ চাষ বিষয়ক বিশেষ সেবা প্রদান, পুকুরের মাটি ও পানি পরীক্ষা করা সহ অন্যান্য জনসম্পৃক্ত বিষয়াদি।

Print Friendly

     এই ক্যাটাগরীর আরো খবর